
সোমালিল্যান্ড–পান্টল্যান্ড উত্তেজনার মধ্যে সোমালিয়ার নতুন ভ্রমণ অনুমোদন ব্যবস্থা চালু সোমালিয়া বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইলেকট্রনিক ট্র্যাভেল অথরাইজেশন (ETA) ব্যবস্থা চালু করেছে। এর মাধ্যমে দেশে প্রবেশ ও প্রস্থানের ওপর ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিবাসন নীতিতে মোগাদিশুর কর্তৃত্ব মানতে অস্বীকৃতি জানানো সোমালিল্যান্ড ও পান্টল্যান্ডের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়ছে।
নতুন ETA সরাসরি এয়ারলাইন্সের অ্যাডভান্স প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন (API) ও প্যাসেঞ্জার নেম রেকর্ড (PNR) সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে আগত ফ্লাইটের সব যাত্রীর নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্টের তথ্য, ভ্রমণ ইতিহাস, গন্তব্য এবং ভিসার অবস্থা রিয়েল-টাইমে যাচাই করা সম্ভব হবে। ই-ভিসা ছাড়া যাত্রীদের ফ্লাইটে উঠতেই না দেওয়ার ক্ষমতাও পাবে ফেডারেল সরকার।
সোমালিল্যান্ড ও পান্টল্যান্ড শুরু থেকেই এই নীতির বিরোধিতা করছে। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইদুবাইসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্সও মাঝে মাঝে নিয়মটি মানতে ব্যর্থ হয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে যখন বিমান সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে ই-ভিসা ছাড়া কাউকে বোর্ডিং পাস দেওয়া যাবে না। সোমালিল্যান্ড নিজস্ব নির্দেশনা দিয়ে এয়ারলাইন্সগুলোকে মোগাদিশুর নীতি অমান্য করতে বলেছে এবং সতর্ক করেছে—যে কোনো বিমান সংস্থা যদি ফেডারেল ই-ভিসা নীতি অনুসরণ করে, তবে তাদের সেখানে অবতরণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
তবুও বাস্তবে সোমালিল্যান্ডে প্রবেশকারী যাত্রীদের অনেকেই ফেডারেল ই-ভিসা বাধ্যতামূলকতার মুখে পড়ছেন, যা অচলাবস্থা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সমালোচকরা মনে করছেন, এই ETA ব্যবস্থা রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করছে—বিশেষ করে বিরোধীদের দেশপ্রবেশ সীমিত করা বা নির্বাসনে চাপ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সোমালিল্যান্ড–পান্টল্যান্ড উত্তেজনার মধ্যে সোমালিয়ার নতুন ভ্রমণ অনুমোদন ব্যবস্থা চালু এই উদ্বেগ নিয়ে এখনো প্রকাশ্য কোনো মন্তব্য করেনি মোগাদিশু। সোমালিল্যান্ড ও পান্টল্যান্ড পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেবে তা এখনো পরিষ্কার নয়, তবে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।







